এতে সাধারণ ক্রেতা ও সরকারের মধ্যে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। গত শুক্রবার দেশটির সরকারি তথ্যে জানানো হয়, জরুরি রাষ্ট্রীয় মজুদ থেকে বাজারে চাল ছাড়াসহ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দাম কমেছে। দুই বছর ধরে তীব্র সরবরাহ সংকটে জাপানে চালের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল। খবর জাপান টুডে।
দেশটির একজন সরকারি কর্মকর্তা জানান, বিলাসবহুল কোশিহিকারি জাত ছাড়া অন্য চালের দাম গত বছরের মে মাসের তুলনায় এবার ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। ২০২২ সালের নভেম্বরের পর এ প্রথম দেশটিতে প্রধান খাদ্যশস্যটির দাম কমল।
২০২৪ ও ২০২৬ সালের মাঝামাঝি জাপানে চালের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। চালের বাড়তি দাম, জীবনযাত্রার মান কমে যাওয়া ও ক্ষমতাসীন দলের দুর্নীতি কেলেঙ্কারির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে গত সেপ্টেম্বরে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
পরবর্তী সময়ে দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন সরকার এ সংকট মোকাবেলায় বেশকিছু কঠোর পদক্ষেপ নেয়। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার রাষ্ট্রীয় জরুরি তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ চাল বাজারে সরবরাহ করে। ফলে বাজারে চাল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং দাম কমতে থাকে।
তাছাড়া জাপানে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এবং কৃষকদের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ায় উৎপাদন কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।